প্রকৃত বন্ধু চেনার পাঁচ কৌশল

জীবনে ব’ন্ধু খুবই গু’রুত্ব পূর্ণ একটি অংশ। যাকে ছাড়া খুশিতো থাকা যায়, কিন্তু তা পূর্ণতা পায় না। তবে এর জন্য অবশ্যই ব’ন্ধু হওয়া চাই ঠিক মনের মতো। সুসময়য়ে সবাই পাশে থাকে, তবে বি’পদে কী থাকে?

মনোবিদেরাও স্বী’কার করেন- মানুষের মন বোঝা সবচেয়ে ক’ঠিন কাজ। কার ভেতরে কি আছে তা সরাসরি ধ’রতে পারা না গেলেও কিছু বিষয় দিয়ে ব্য’ক্তিকে মূল্যায়ন করা যায়।

তাইতো জানতে হবে আ’সলেই আপনার প্রকৃত ব’ন্ধু কে, যে বি’পদেও পাশে থাকবে। ব’ন্ধু মানেই নিঃস্বার্থ ব’ন্ধন। এই ব’ন্ধনে যে বা যারা আব’দ্ধ থাকে মূলত তারাই প্রকৃত ব’ন্ধু। তাছাড়াও প্রকৃত ব’ন্ধু চেনার রয়েছে পাঁচ কৌশল। চলুন জে’নে নেয়া যাক সেই কৌশলগুলো-

> ব’ন্ধুত্ব মানেই দুষ্টমি। হাসি ঠাট্টা এই স’স্পর্কে থাকবেই। তবে তার মানে এই নয় যে এই দুষ্টমির কারণে অন্যের সামনে আপনি ছোট হন। প্রকৃত ব’ন্ধু কখনো অন্যের সামনে এমন কথা বলবে না যাতে আপনি ছোট হবেন। আপনার অপমান হয় এমন কিছু সে কখনোই করবে না।

> ধ’রুন রেস্তোরাঁয় খেতে যাচ্ছেন কিংবা সিনেমা দে’খতে যাচ্ছেন। এসময় খেয়াল করে দেখবেন সুদিনের ব’ন্ধুরা আপনার পাশে বেশি বেশি ভিড় করবে। কিন্তু প্রকৃত ব’ন্ধুর এসবের প্রতি কৃত্রিম কোনো মোহ থাকে না।

> কোনো একটি বিষয়ে আপনি দারুণভাবে সফল হয়েছেন। কিন্তু যদি দেখেন আপনার ব’ন্ধুর মধ্যে উল্লাস উচ্ছ্বাস নেই- কিন্তু সে ঘাড় ঘুরিয়ে গাল ফোলাচ্ছে তখন বুঝতে হবে সে আপনার আ’সল ব’ন্ধু নয়।

> প্রকৃত ব’ন্ধু কখনো কারণে-অকারণে ব’ন্ধুর ভুল ধ’রে না। কিন্তু সুসময়ের ব’ন্ধুরা ব’ন্ধুর ভাবনা-চিন্তা, মতামত সব কিছুর মধ্যেই কোনো না কোনো ভুল ধ’রতে ব্যস্ত থাকে।

> ব’ন্ধুর বি’পদের সময় আপনি সামনে থেকে ব’ন্ধুর হয়ে কথা বলছেন। তাকে বি’পদমু’ক্ত ক’রতে সবকিছু করছেন। কিন্তু যেদিন আপনার বি’পদ সেদিন যদি সে অজুহাত দিয়ে দূ’রে সরে থাকে কিংবা গা-ছাড়া ভাব ধ’রে তবে মনে রাখতে হবে সে আপনার প্রকৃত ব’ন্ধু নয়।